বৃহস্পতিবার (২৮ মে) পবিত্র ঈদুল আজহার সকালে উপজেলার বানা ইউনিয়নের পণ্ডিতের বানা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ওই গৃহবধূর নাম ফুলজান বেগম (৫৫)। তিনি ওই গ্রামের হাফিজার শেখের স্ত্রী। অন্যদিকে, মাকে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়া অভিযুক্ত ছেলের নাম হোসেন শেখ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বসতঘরের পেছনে গাছের চারা লাগাচ্ছিলেন ফুলজান বেগম। এ সময় কোনো একটি বিষয় নিয়ে ছোট ছেলে হোসেনের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।
তর্কাতর্কির একপর্যায়ে হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। ফুলজানের চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে এসে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
তবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ওই নারী। ঘটনার পরপরই বাড়ির পাশের একটি পাটখেত দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত ছেলে হোসেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজা মিয়া জানান, ঈদের নামাজের আগেই তারা এমন ভয়াবহ খবর শুনতে পান। এরপর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানিয়ে দ্রুত থানায় খবর দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত হোসেনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
